Tuesday, February 22, 2011

Friendship sms Collection


89) Friendship sms Collection-10

♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥

Friendship SMS -86.

The Mind of a true Loving Friends is Like the Lines of a Railway track they Never meet they Never cross But they always go for a long way together..

♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥

Friendship SMS -87.

A good friend is like a computer. 'Enter' ur life, 'save' u in my heart, 'format' ur problems, 'shift' u 2 opportunities & never 'delete' u from my memory!

♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥

Friendship SMS -88.

lf you get less messages from me, don't think that l didn't care for you, but l'm searching for the best message for a best person like you!!
Wish u all the best

♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥

Friendship SMS -89.

Longest love is mother's love. shortest love is others love. Lover's love is sweetest love. But friend's love is stronger love. So HAPPY FRIENDSHIP DAY.

♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥♫♥

Friendship SMS -90.

Many people will walk in and out of your life, But only true friends will leave footprints in your heart.

Bangla Jokes Collection exclosive


1)

ভিক্ষুক :- স্যার.. ২০টা টাকা দেন.. কফি খাবো।
লোক :- কেন ?? কফি তো ১০ টাকা কাপ..
ভিক্ষুক :- স্যার, সাথে গার্লফ্রেন্ড আছে তো, তাই..
লোক :- ভিক্ষুক হয়ে গার্লফ্রেন্ড ও বানিয়েছ..
ভিক্ষুক :- জ্বী না স্যার.. গার্লফ্রেন্ডই বরং আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে ।।

2)

প্রেমিকাঃ তুমি কি আমায় ভালোবাস?
প্রেমিকঃ বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করো?
প্রেমিকাঃ ধরো তোমার সার্টের পকেটে মাত্র 500 টাকা আছে, আমি 500 টাকাই চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?
জরুরি টাকাটায় প্রেমিকা চোখ পরেছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, কেনো পারবো না, একশবার পারবো | তবে পরীক্ষা তারিখটা একটু পিছানো যায় না |

3)

একবার এক মহিলা মারা গেছেন। লাশ নিয়ে যাচ্ছেন তার স্বামী। স্বামীর পিছনে একটি কুকুর, এর পিছনে কয় এক হাজার লোক। এক লোক এসে স্বামীকে জিজ্ঞাসা করলো যে,
–কি হইছে ভাই…এত লোকজন কেন?
–আমার বউ মারা গেছে
– সরি, তো কিভাবে মারা গেল?
–ওইযে কুকুরটা দেখতে পাচ্ছেন এর কামড় এ
– ভাই আমারে একটু ধার দিবেন আপনার কুকুরটা।
– ঠিক আছে তাইলে লাইন এর পিছনে গিয়া সিরিয়াল দেন।

4)

স্ত্রীঃআমি একটা কথা বলি?
স্বামীঃ হ্যা বলো
স্ত্রীঃ মারবেনাতো !
স্বামীঃ না
স্ত্রীঃ আমি মা হতে চলেছি
স্বামীঃ আরে এটাতো খুশির কথা , এর জন্য তোমাকে মারব কেন?
স্ত্রীঃ বিয়ের আগে যখন আমার বাবাকে এই কথা বলেছিলাম তখন অনেক মার খেয়েছিলাম

5)

ছেলেঃ বাবা আমি কত বড় হলে আম্মুকে না বলেই বাইরে যেতে পারবো?
বাবা (দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে বললো): এত বড়তো আমিই হই নাই

6)

বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুণী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক : তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা : উনি বাসায় নেই।
প্রেমিক : বল কী? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা : আমাদের জন্য ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন।

7)

দিন এক রোগী ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল, “ডাক্তার সাব, আমার একটা অদ্ভুদ রোগ হয়েছে।”
ডাক্তার বললেন, “কি রকম ? ”
রোগী বলল, “আমি অল্পতেই রেগে যাই। গালাগালি করি”
ডাক্তার বলল, “ব্যাপারটা একটু খুলে বলুন তো।”
রোগী বলল, “হারামজাদা, কয়বার খুলে বলব!!!”

8)

এক রোগী অপারেশন থিয়েটার থেকে ছুটে পালাচ্ছেন । তাকে এভাবে ছুটতে দেখে এক ডাক্তার তার পথ আগলে দাঁড়ালেন।
ডাক্তার : ব্যপার কী, আপনি এভাবে পালাচ্ছেন কেন?
রোগী : সাধে কী আর পালাচ্ছি?
ডাক্তার : ঘটনাটা খুলেই বলুন না।
রোগী : নার্স বলছেন, খুব সহজ অপারেশন, ভয়ের কোনো কারণ নেই।
ডাক্তার : নার্স তো ঠিকই বলেছেন।
রোগী : তিনি কথাটি আমাকে বলেননি, বলেছেন যিনি অপারেশন করবেন, সেই ডাক্তারকে।

9)

অপারেশরেন রুগীকে কয়েকদিন পরে দেখে -
ডাক্তারঃ আরে আপনি! কি খবর? এখন কেমন আছেন? কোন সমস্যা হচ্ছে না তো?
রোগীঃ না, কোন সমস্যা হচ্ছে না। তবে হয়েছি কি এখন দম নেয়ার সময় আর ছাড়ার সময় বুকের ভেতরটায় টিকটিক শব্দ করে।
ডাক্তারঃ (বেশ আনন্দের সঙ্গে) তাইতো বলি, আমার এত দামি ব্রান্ডের হাত ঘড়িটা কই গেল?

10)

রোগী : ডাক্তার সাহেব আমি খুব চুলকানির সমস্যায় ভুগছি। দয়া করে আমাকে একটা ওষুধ দিন।
ডাক্তার : দোকান থেকে এই ওষুধটা কিনে নিন।
রোগী : এতে কি চুলকানি সেরে যাবে?
ডাক্তার : আমি আপনার নখ বড় করার ওষুধ দিয়েছি। যাতে আপনি ভালোভাবে চুলকাতে পারেন।

11)

রোগীঃ ডাক্তার সাব, আপনি বলেছেন চশমা নিলে আমি পড়তে পারব।
ডাক্তারঃ নিশ্চয়ই এ বিষয়ে সন্দেহ কি?
রোগীঃ তাহলে ভালোই হবে। আমিতো পড়তে জানতাম না ।

12)

ডাক্তারঃ মনে হয় ঔষধ টায় কাজ হয়েছে। আজ আপনার কাশির আওয়াজটা বেশ ভাল ঠেকছে।
রোগীঃ ভাল তো ঠেকবেই। কাল সারা রাত জেগে কাশিটা প্রাকটিস করেছি যে!

13)

ডাক্তার এর কাছে রোগীর ফোন।
রোগী : ডাক্তার সাহেব আমাকে বাঁচান! আমি মনে হয় ১০ মিনিটের মধ্যে মারা যাবো।
ডাক্তার : একটু অপেক্ষা করুন, আমি ২০ মিনিটের মধ্যে আসছি।

14)

ডাক্তার সাহেব, আমার ছেলে আমার কলম গিলে ফেলেছে তাড়াতাড়ি আসুন |
আপাতত পেন্সিল দিয়ে কাজ চালিয়ে নিন | আমি আসছি |

15)

ডাক্তারঃ এক্স-রে করে দেখলাম, আপনার পেটে অনেক চামচ জমা হয়েছে। কেন বলুন তো?
রোগীঃ আপনি তো বললেন দৈনিক দুই চামচ খেতে।

16)

বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
: অব্যশই মেয়ে |
: কেন ?
: যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না লাঠিতে ??

17)

একলোক এক ট্রাফিক মহিলাকে বিয়ে করল | বাসর রাতের পরদিন ট্রাফিক মহিলা ১০০০ টাকা জরিমানা করল এভাবে
-ওভার স্পীড ৩০০
- হেলমেট না পরা ৩০০
- রং ওয়ে এট্রি ৪০০

18)

এক লোক ডাক্তার দেখাতে গেছে কারন তার ... দাড়ায় না | ডাক্তার শুনে বললেন, বিয়ে করছেন?
: না |
: প্রেমিকা আছে ?
: না |
: পরকীয়া করেন ?
: না |
: টানবাজার যান ?
: না |
: মাস্টারবেট করেন?
: না |
ডাক্তার ক্ষেপে বললেন, " ওই মিয়া, তাহলে দাড়া করায়ে কি করবেন? ক্যালেনডার টাঙ্গাইবেন!!!"

19)

এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।
ফরাসী বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’
ইতালীয় বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’
বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, ‘তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক’বার আদরসোহাগ করেছো?
বাঙালি বললো, ‘একবার।’
ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, ‘তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?’
‘ওগো, থামো, আর না …।’

20)

এক লোকের তিনটি বিচি | সে এটা নিয়া খুবই চিন্তিত | লজ্জায় কাউকে বলতে পারছে না | উপায় না দেখে ডাক্তারের কাছে গেল |
লোক : লজ্জিত হয়ে ডাক্তারকে বলছে, ডাক্তার সাহেব আপনার আর আমার মিলে ৫ টি |
ডাক্তার : কি বলেন বুঝতে পারছি না |
লোক : আরে আপনার আর আমার মিলে ৫ টি |
ডাক্তার : কিছুই বুঝতে পারছি না | পরিস্কার করে বলুন |
লোক : উপায় না দেখে বলল, আপনার আর আমার মিলে ৫ টি বিচি ||
ডাক্তার : তাহলে কি আপনার ১ টি ??

21)

বাবুর বড় বিপদ, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ প্রত্যঙ্গ নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতিমিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে।
দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, “এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা!”
বাবু ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, “ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”
বাবু টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে। কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, “ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”
বাবু ১৫-তে নেমে এলো।
উল্লসিত বাবু আবারো জিজ্ঞেস করলো, “বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
এবার উত্তর এলো, “এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!”

22)

বনের রাজা টারজান তিরিশ বছর ধরে জঙ্গলে বাস করছে, সেখানে নানারকম পশুপাখি থাকলেও কোন মানুষ নেই। উদ্ভাবনী মস্তিষ্কের অধিকারী টারজান তাই বিভিন্ন গাছের গায়ে ফুটো করে নিয়েছে, প্রথম রিপুকে মোকাবেলা করার জন্যে।
মহিলা সাংবাদিক জেন একদিন জঙ্গলে গিয়ে দেখলো, টারজান মহা উল্লাসে একটি গাছের সাথে প্রেম করে চলছে।
এই দৃশ্য দেখে জেন খানিকটা ভালোবাসা, খানিকটা অনুকম্পা বোধ করলো টারজানের জন্যে, সে জামাকাপড় খুলে আড়াল ছেড়ে বেরিয়ে এসে টারজানের উদ্দেশ্যে নিজেকে নিবেদন করলো।
টারজান তখন গাছ ফেলে ছুটে এসে জেনকে অবাক চোখে কিছুক্ষণ দেখলো, তারপর জেনের পেটে কষে একটা লাথি মারলো।
পেট চেপে ধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো জেন। ‘জংলি ভূত, আমি তোমাকে প্রেম নিবেদন করলাম, আর তুমি কি না আমাকে লাথি মারলে?’ চেঁচিয়ে উঠলো সে।
টারজান এগিয়ে এসে জেনকে জাপটে ধরে বললো, ‘সবসময় চেক করে দেখি, কাঠবিড়ালি আছে কি না।’

23)

বাবুর অফিসের কাজে মন বসে না। তার গা ম্যাজম্যাজ করে, মেজাজটাও খারাপ হয়ে থাকে।
বস একদিন ডাকলেন তাকে।
'শোনো, এভাবে তো চলবে না। তোমাকে চাঙা হতে হবে। আমারও এরকম হতো আগে। তখন কী করতাম জানো? লাঞ্চ আওয়ারে বাড়ি চলে যেতাম। তোমার ভাবীর হাতের মজার রান্না খেয়ে, ঘন্টাখানেক তাকে চুটিয়ে আদর সোহাগ করতাম ... হে হে, বুঝতেই পারছো, কী বলতে চাইছি। এরপর থেকে আমি একদম চাঙা, কোন সমস্যা হয় না। তুমিও ওরকম একটা কিছু করে দেখো, ফল পাবে।'

হপ্তাখানেক পর বস দেখলেন, অফিসে বাবুর কাজ চলছে দারুণ। টেলিফোন, ফ্যাক্স, কম্পিউটার নিয়ে দক্ষযজ্ঞ কান্ড একেবারে। বস হাসলেন, 'কী মিয়া, পরামর্শ কাজে লাগলো?'

বাবু উৎফুল্ল গলায় বললো, 'জ্বি স্যার, একেবারে হাতে হাতে। আর ভাবীর হাতের রান্না তো অপূর্ব!'

24)

নিজের ইচ্ছেশক্তি পরীক্ষার জন্যে এক ভদ্রলোক ঠিক করলেন, তিনমাস তিনি স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এ ব্যাপারে তাঁর স্ত্রীর তেমন আগ্রহ না থাকলেও ভদ্রলোকের প্রস্তাবে রাজি হলেন তিনি।
প্রথম কয়েক হপ্তা তেমন একটা সমস্যা হয়নি। দ্বিতীয় মাস থেকে শুরু হলো সমস্যা। ভদ্রমহিলা তখন বোরখা পরে আর রসুন চিবিয়ে ঘুমুতে গেলেন। বহুকষ্টে দ্বিতীয় মাস কাটানোর পর তৃতীয় মাস থেকে সত্যিই খুব কষ্ট হতে লাগলো। মহিলা বাধ্য হলেন ভদ্রলোককে ড্রয়িংরূমের সোফায় ঘুমুতে পাঠানোর জন্যে, আর রাতে নিজের ঘরের দরজায় খিল এঁটে রাখতে হলো তাঁকে।
এমনি করে তিনমাস শেষ হলো। একদিন ভোরে শোবার ঘরের দরজায় টোকা পড়লো। ঠক ঠক ঠক।
‘বলো তো আমি কে?’ ওপাশ থেকে ভদ্রলোকের গলা ভেসে এলো।
‘আমি জানি তুমি কে!’ উৎফুল্ল গলায় বললেন মহিলা।
‘বলো তো আমি কী চাই?’
‘আমি জানি তুমি কী চাও!’
‘বলো তো আমি কী দিয়ে দরজায় নক করছি?’

25)

শপিং সেরে বাড়ি ফিরতেই ছোট্ট বাবু তার মাকে বললো, “মা মা, আজ কী হয়েছে শোনো, আমি তোমার আলমারিতে লুকিয়ে খেলছিলাম, এমন সময় বাবা আর পাশের ফ্ল্যাটের টিনা আন্টি এসে ঢুকলো। তারা দু’জন সব জামাকাপড় খুলে ফেললো, তারপর বাবা টিনা আন্টির ওপর চড়ে বসলো …।”

এটুকু শুনেই বাবুর মা তাকে থামিয়ে দিলেন। মুখখানা গম্ভীর করে বললেন, “ব্যস, আর একটা শব্দ না। এবার বাবা ফিরলে তুমি যা দেখেছো, তা আবার ঠিক ঠিক বলবে, কেমন?”

বাবুর বাবা বাড়ি ফিরতেই বাবুর মা মুখ ঝামটা দিলেন। “তোমার মতো একটা লম্পটের সাথে আমি আর সংসার করবো না।”

বাবুর বাবা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললেন, “কেন?”

তখন বাবুর মা বললেন, “বল বাবু, কী দেখেছিস গুছিয়ে বল।”

বাবু বললো, “আমি তোমার আলমারিতে লুকিয়ে খেলছিলাম, এমন সময় বাবা আর পাশের ফ্ল্যাটের টিনা আন্টি এসে ঢকলো। তারা দু’জন সব জামাকাপড় খুলে ফেললো, তারপর বাবা টিনা আন্টির ওপর চড়ে বসলো, তারপর তুমি আর আক্কাস আঙ্কেল গত পরশু দিন দুপুরে যা করেছিলে, বাবা আর টিনা আন্টি তা-ই করতে লাগলো …।”

google add

<?xml version="1.0"?>
<rss version="0.92">
<channel>
<!-- The title is used in various places in the directory and Personalized Homepage
to help users. Please keep the title as short as possible. -->
<title>Test Feed</title>
<!-- The link is used in the Personalized Homepage title-bar, to link to your site -->
<link>http://www.google.com/</link>
<!-- The description is used in the detail page about your feed -->
<description>A nice long description of your feed.</description>
<!-- ... other channel sub-elements may go here, e.g. ttl ... -->
<image>
<url>http://www.google.com/ig/gadgets/sticky-thm.png</url>
<!-- ... other image sub-elements may go here, e.g. width ... -->
</image>
<item>
<title>RSS Item title #1</title>
<link>http://www.google.com/</link>
<!-- ... other item sub-elements may go here, e.g. description ... -->
</item>
<!-- ... more items ... -->
</channel>
</rss>
<a href="http://fusion.google.com/add?source=atgs&moduleurl=http%3A//amar-sonar-bangla.blogspot.com"><img src="http://buttons.googlesyndication.com/fusion/add.gif" border="0" alt="Add to Google"></a>

Monday, February 21, 2011

Bangla premer kobita- part-1(x-closive)By Nuralom ahmmed


১.

থাকুক তোমার একটু স্মৃতি থাকুক

একলা থাকার খুব দুপুরে

একটি ঘুঘু ডাকুক


২.

দিচ্ছো ভীষণ যন্ত্রণা

বুঝতে কেন পাছো না ছাই

মানুষ আমি, যন্ত্র না!


৩.

চোখ কেড়েছে চোখ

উড়িয়ে দিলাম ঝরা পাতার শোক।

16
May
তোমায় আমি-জীবনানন্দ দাশ
Ahasan
তোমায় আমি দেখেছিলাম ব’লে
তুমি আমার পদ্মপাতা হলে;
শিশির কণার মতন শূন্যে ঘুরে
শুনেছিলাম পদ্মপত্র আছে অনেক দূরে
খুঁজে খুঁজে পেলাম তাকে শেষে।

নদী সাগর কোথায় চলে ব’য়ে

পদ্মপাতায় জলের বিন্দু হ’য়ে
জানি না কিছু-দেখি না কিছু আর
এতদিনে মিল হয়েছে তোমার আমার
পদ্মপাতার বুকের ভিতর এসে।

তোমায় ভালোবেসেছি আমি, তাই
শিশির হয়ে থাকতে যে ভয় পাই,
তোমার কোলে জলের বিন্দু পেতে
চাই যে তোমার মধ্যে মিশে যেতে
শরীর যেমন মনের সঙ্গে মেশে।

জানি আমি তুমি রবে-আমার হবে ক্ষয়
পদ্মপাতা একটি শুধু জলের বিন্দু নয়।
এই আছে, নেই-এই আছে নেই-জীবন চঞ্চল;
তা তাকাতেই ফুরিয়ে যায় রে পদ্মপাতার জল
বুঝেছি আমি তোমায় ভালোবেসে।


16
May
বনলতা সেন-জীবনানন্দ দাশ
Ahasan

হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,

সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে

অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধুসর জগতে

সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;

আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,

আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।


চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,

মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের’পর

হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা

সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,

তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‌‌‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’

পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।


সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন

সন্ধা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;

পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন

তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল;

সব পাখি ঘরে আসে-সব নদী-ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন;

থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।17
May
তোমাকে কবে পাবো?- ইমরান হাসান
Ahasan
তোমাকে আপন করে আবার কবে পাবো বলোতো?
একটি করে দিন চলেযায় তারপর মাস পেরিয়ে বছর,
আমি অপেক্ষায় গুনি সময়ের প্রতিটি প্রহর।
সব বাধা ভেঙ্গে তুমি আমার হবে একান্তই আমার।
আমার আরশিতে বধুবেশে কবে ধরাদিবে বলোতো?
আমি গুনে গুনে ভুল করে আবার যে তা গুনি
কবে হবে শেষ আমার চাওয়া, না তুমি, না আমি জানি।
তবুও আশায় থাকি হয়তো অচিরেই পাবো তোমায়
বেশিদিন হয়তো আর নয়, তুমি আমার হবে নিশ্চয়।
শিয়রে জ্বালিয়ে বাতি দু’জন মিলে জাগব রাতি
হাতে রেখে হাত,আবার কবে বলোতো?
আবার হবে ভালোবাসাবাসি হবে মধুর মিলন দু’ জনে
দু’টি দেহ একহবে, হবে মিলন দুটি মনে-মনে।
বুকের গহীনে পুঞ্জবিত ব্যাথা বেদনা সবহবে অবশান
সখি তোমার তরে সপিব আমার এই মন প্রাণ।
সুখি তোমার দু’চোখে রেখে মোর দুই চোখ
আকুন্ঠে পিয়াবো মর্তলোকের যতআছে সুখ
সখিআবার কবে হবে সেই মুধুর লগন,বলোতো?
বিরহের এই কন্টক বেষ্টিত র্দুগম পথ পাড়িদিয়ে
আমার এই মুরু সম বুকে মুখ লুকিয়ে
ভালবাসার বিশুদ্ধ শরবরে তুমি আবার কবে
অবগাহন করিবে বলোতো?

17
May
যদি তুমি চাইতে- মো: রুহুল আমিন
Ahasan
যদি তুমি চাইতে
ছিনিয়ে আনতাম আমি তোমাকে
ঝড়, বৃষ্টি প্লাবন তোমাকে আটকে রাখার মত
যত নর পশুর বাঁধা আসুক না কেন?
সব কিছু ভেঙ্গে চুড়ে হৃদয়ের বন দিয়ে
বেধে আনতাম আমি তোমাকে।
যদি তুমি চাইতে
গড়তে পারতাম একটা সুখের নীড়
স্বপ্নের ভালবাসা হতো বাস্তবের সম্মুখীন
কত যে, স্বপ্ন ভেঙ্গে চুড়ে হৃদয়হীনা পাষানীর মতো
চলে গেলে আমায় ফেলে।
যদি তুমি চাইতে
অথৈ সাগর আমি দিতান পাড়ি
তুমি সাগর হয়ে আমায় ভাষাতে
আমি অনিন্দসুন্দর তোমার বুকে সুখের প্রহর কাটাতাম
আমি মেঘ হয়ে আকাশের বুকে চলে যেতাম
আবার বুষ্টি হয়ে নেমে আসতাম তোমার বুকে
এত ভালবাসারই প্রতিদান তুমি দিলে, আমায় ভুলে

17
May
কষ্টের মুল্য কে দেবে -দিনা
Ahasan
আজ ত্রকাকী র্মুহুতে শুধু তোমার কথা মনে পড়ে
তোমার সাথে আমার প্রতিটি স্মৃতি
খনে খনে দোলা দেয় ।
ত্রকাকী জীবন খুবই কষ্টের, খুবই বেদনাদায়ক, খুবই মর্মান্তিক
ত্রইসব স্মৃতি যতই ভুলে যেতে চাই
ততই মনে পড়ে ।
তোমার শরীরের প্রতিটি অংগে অংগে
আমার র্স্পশের ছোয়া
আমার র্স্পশে তুমি পাগল হয়ে যেতে
বলতে আরও ছুঁয়ে দাও, আরও কাছে আসো
আরও আলিংগন করো ।
তোমার মলিন ঠোঁটে ছুঁয়ে দিতাম আমার আবেগের ঠোঁট
ঠোঁটে ঠোঁটে দুজনে হারিয়ে যেতাম বহুদুরে ।
জানি না আজও কি তোমার মনে পড়ে তা
আমি তো পারছিনা ভুলতে, কিছুতেই ভুলতে
আমাদের ভালবাসার ছোঁয়া ভালবাসার প্রতিশ্রুতি
আমাদের স্বপ্ন, আমাদের আশা ।
হায়রে বিধাতা কেন মোদের করলে নিরাশা
কি অপরাধ করেছি আজও যে কষ্ট পাই
ত্রই কষ্টের মুল্য কে দেবে
কে দেবে ।।


17
May
তোমাকে আসতেই হবে -মিলন মেহ্দী
Ahasan
......মৃত্যুর মত সত্য তুমি আসবে
আমার ভালোবাসার উষäতায় গলে গলে
বহমান নদী হয়ে অনন্ত মোহনায় €
......তোমার কতটা উষäতা লাগবে বলো
থার্মোমিটারের পারদের শেষ চিহ্ন পর্যন্ত
আমি ততক্ষণও থাকবো তোমার অপেক্ষায়।
.......তুমি আমার পঞ্চ ইন্দ্রিয়ে
আস ষড় ঋতুর রঙ রূপ নিয়ে
কিসের স্বাদহীনে আমাকে ঘিরে বিষন্নতা।
......আজ আমি সাগর মহাসাগরের উপরে
উড়ন্ত চাতক, সুখ-শান্তি জলের চাবুক পেতে
চীনের প্রাচীর তব হৃদয়ে, ভাঙবে আমার­
ভালোবাসার পবিত্রতা ।


16
May
আকাশনীলা -জীবনানন্দ দাস
Ahasan
সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়োনাকো তুমি,
বোলোনাকো কথা ওই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরঞ্জনা;
নক্ষত্রের রুপালি আগুন ভরা রাতে;

ফিরে এসো এই মাঠে, ঢেউয়ে;
ফিরে এসো হৃদয়ে আমার;
দূর থেকে দূরে – আরো দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেয়োনাকো আর|

কী কথা তাহার সাথে? তার সাথে!
আকাশের আড়ালে আকাশে
মৃত্তিকার মতো তুমি আজ;
তার প্রেম ঘাস হয়েসুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়োনাকো তুমি,
বোলোনাকো কথা ওই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরঞ্জনা;
নক্ষত্রের রুপালি আগুন ভরা রাতে;

ফিরে এসো এই মাঠে, ঢেউয়ে;
ফিরে এসো হৃদয়ে আমার;
দূর থেকে দূরে – আরো দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেয়োনাকো আর|

কী কথা তাহার সাথে? তার সাথে!
আকাশনীলা জীবনানন্দ দাস
আকাশের আড়ালে আকাশে
মৃত্তিকার মতো তুমি আজ;
তার প্রেম ঘাস হয়ে আসে|

সুরঞ্জনা,
তোমার হৃদয় আজ ঘাস;
বাতাসের ওপারে বাতাস-
আকাশের ওপারে আকাশ|


16
May
সত্যবদ্ধ অভিমান-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
Ahasan
এই হাত ছুঁয়েছে নীরার মুখ
আামি কী এ-হাতে কোনো পাপ করতে পারি?
শেষ বিকেলের সেই ঝুলবারান্দায়
তার মুখে পড়েছিল দুর্দান্ত সাহসী এক আলো
যেন এক টেলিগ্রাম, মুহূর্তে উন্মুক্ত করে
নীরার সুষমা
চোখে ও ভুরুতে মেশা হাসি, নাকি অভ্রবিন্দু?
তখন সে যুবতীকে খুকী বলে ডাকতে ইচ্ছে হয়-
আমি ডান হাত তুলি, পুরুষ পাঞ্জার দিকে
মনে মনে বলি,
যোগ্য হও, যোগ্য হয়ে ওঠো-
ছুয়ে দিই নীরার চিবুক
এক হাত ছুঁয়েছে নীরার মুখ
আমি কি এ-হাতে আর কোনোদিন
পাপ করতে পারি?
এই ওষ্ঠ বলেছে নীরাকে, ভালবাসি-
এই ওষ্ঠে আর কোনো মিথ্যে কি মানায়?
সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে মনেপড়ে বিষম জরুরী
কথাটাই বলা হয় নি
লঘু মরালীর মত নারীটিকে নিয়ে যাবে বিদেশী বাতাস
আকস্মিক ভূমিকম্পে ভেঙ্গে যাবে সবগুলো সিঁড়ি
থমকে দাঁড়িয়ে আমি নীরার চোখের দিকে····
ভালোবাসা এক তীব্র অঙ্গীকার, যেন মায়াপাশ,
সত্যবন্ধ অভিমান-চোখ জ্বালা করে ওঠে-
সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে
এই ওষ্ঠ বলেছে নীরাকে, ভালবাসি-
এই ওষ্ঠ আর কোনো মিথ্যে কি মানায়?

ay
ভালোবাসা-মঞ্জুষ দাশগুপ্ত
Ahasan

হাত পেতে আছি দাও

চোখ পেতে আছি দাও

বুক পেতে আছি দাও


অবহেলা দাও অপেক্ষা দাও

বিশবাঁও জলে

আমাকে ডোবাও

তুলে এনে ফের

আমাকে ঘোরাও

যাক ঘুরে যাক

নাগর দোলাও

দাও তুমি দাও অপমান দাও

চাও বা না চাও নাও

পুড়ে খাঁটি সোনা নাও

আঁচলে বেঁধো না তাও


এতো তুচ্ছতা প্রাপ্য আমার?

সিঁড়ি খুঁজে চলি নরকে নামার।

অন্ধ ভ্রমর গেঁথেছে অমর

শব্দপুঞ্জ ডানায় তোমার

কী অর্থ তার বুঝবে কী আর!

সিঁড়ি খুঁজে চলি নরকে নামার।

শুধু ধ্রুবপদ তোমাকে দিলাম

ভালোবাসা নাও ভালোবাসা নাও

তোমার জন্য জীবন নিলাম

করেছি বলেই

শুধু শূন্যতা বিনিময়ে দাও…


হাত পেতে আছি দাও

চোখ পেতে আছি দাও

বুক পেতে আছি তাও…

16
May
চিল্কায় সকাল -বুদ্ধদেব বসু
Ahasan

কী ভালো আমার লাগলো আজ এই সকালবেলায়

কেমন করে বলি?

কী নির্মল নীল এই আকাশ, কী অসহ্য সুন্দর,

যেন গুণীর কণ্ঠের অবাধ উন্মুক্ত তান

দিগন্ত থেকে দিগন্তে;


কী ভালো আমার লাগলো এই আকাশের দিকে তাকিয়ে;

চারদিক সবুজ পাহাড়ে আঁকাবাঁকা, কুয়াশায় ধোঁয়াটে,

মাঝখানে চিল্কা উঠছে ঝিলকিয়ে।


তুমি কাছে এলে, একটু বসলে, তারপর গেলে ওদিকে,

স্টেশনে গাড়ি এসে দাড়িয়েঁছে, তা-ই দেখতে।

গাড়ি চ’লে গেল!- কী ভালো তোমাকে বাসি,

কেমন করে বলি?


আকাশে সূর্যের বন্যা, তাকানো যায়না।

গোরুগুলো একমনে ঘাস ছিঁড়ছে, কী শান্ত!

-তুমি কি কখনো ভেবেছিলে এই হ্রদের ধারে এসে আমরা পাবো

যা এতদিন পাইনি?


রূপোলি জল শুয়ে-শুয়ে স্বপ্ন দেখছে; সমস্ত আকাশ

নীলের স্রোতে ঝরে পড়ছে তার বুকের উপর

সূর্যের চুম্বনে।-এখানে জ্ব’লে উঠবে অপরূপ ইন্দ্রধণু

তোমার আর আমার রক্তের সমুদ্রকে ঘিরে

কখনো কি ভেবেছিলে?


কাল চিল্কায় নৌকোয় যেতে-যেতে আমরা দেখেছিলাম

দুটো প্রজাপতি কতদূর থেকে উড়ে আসছে

জলের উপর দিয়ে।- কী দুঃসাহস! তুমি হেসেছিলে আর আমার

কী ভালো লেগেছিল।


তোমার সেই উজ্জ্বল অপরূপ মুখ। দ্যাখো, দ্যাখো,

কেমন নীল এই আকাশ-আর তোমার চোখে

কাঁপছে কত আকাশ, কত মৃত্যু, কত নতুন জন্ম

কেমন করে বলি।

16
May
কথা -প্রেমেন্দ্র মিত্র
Ahasan

তারপরও কথা থাকে;

বৃষ্টি হয়ে গেলে পর

ভিজে ঠাণ্ডা বাতাসের মাটি-মাখা গন্ধের মতন

আবছায়া মেঘ মেঘ কথা;

কে জানে তা কথা কিংবা

কেঁপে ওঠা রঙিন স্তব্ধতা।


সে কথা হবে না বলা তাকে:

শুধু প্রাণ ধারণের প্রতিজ্ঞা ও প্রয়াসের ফাঁকে ফাঁকে

অবাক হৃদয়

আপনার সঙ্গে একা-একা

সেই সব কুয়াশার মত কথা কয়।

অনেক আশ্বর্য কথা হয়তো বলেছি তার কানে।

হৃদয়ের কতটুকু মানে

তবু সে কথায় ধরে!


তুষারের মতো যায় ঝরে

সব কথা কোনো এক উত্তুঙ্গ শিখরে

আবেগের,

হাত দিয়ে হাত ছুঁই,

কথা দিয়ে মন হাতড়াই

তবু কারে কতটুকু পাই।


সব কথা হেরে গেলে

তাই এক দীর্ঘশ্বাস বয়,

বুঝি ভুলে কেঁপে ওঠে

একবার নির্লিপ্ত সময়।


তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে

কুয়াশা জড়ায়

কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়।

16
May
শুধু তোমার জন্য-নির্মলেন্দু গুণ
Ahasan

কতবার যে আমি তোমোকে স্পর্শ করতে গিয়ে

গুটিয়ে নিয়েছি হাত-সে কথা ঈশ্বর জানেন।

তোমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েও

কতবার যে আমি সে কথা বলিনি

সে কথা আমার ঈশ্বর জানেন।

তোমার হাতের মৃদু কড়ানাড়ার শব্দ শুনে জেগে উঠবার জন্য

দরোজার সঙ্গে চুম্বকের মতো আমি গেঁথে রেখেছিলাম

আমার কর্ণযুগল; তুমি এসে আমাকে ডেকে বলবেঃ

‘এই ওঠো,

আমি, আ…মি…।‘

আর অমি এ-কী শুনলাম

এমত উল্লাসে নিজেকে নিক্ষেপ করবো তোমার উদ্দেশ্যে

কতবার যে এরকম একটি দৃশ্যের কথা আমি মনে মনে

কল্পনা করেছি, সে-কথা আমার ঈশ্বর জানেন।

আমার চুল পেকেছে তোমার জন্য,

আমার গায়ে জ্বর এসেছে তোমার জন্য,

আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।

তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,

আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।

16
May
দুঃসাধ্য-নাজিম মাহমুদ
Ahasan

বড় বড় ত্যাগ যতো সহজ

ছোটো ছোটো ত্যাগ ততোই কঠিন

বড় ত্যাগে এক ধরনের অহম আছে

ছোটো ছোটো ত্যাগে কোনো ঘোষনা নেই

বড় ত্যাগ প্রত্যাশা করে সহস্র সাধুবাদ

মানুষের করতালি ইতিহাসে স্বাক্ষর

ছোটো ছোটো ত্যাগ কিছুই চায় না

সহজাত সে এক প্রবৃত্তি

দারুন গরমে ট্রেনে জানলার সীট

প্রচণ্ড ভীড়ে বাসের আসন

দীর্ঘ কিউতে নিজ স্থান

অনায়াসে সে ছেড়ে দেয় অচেনা কাউকে

তাঁর প্রয়োজন বেশি একথা ভেবে-

বড় ত্যাগে বড় বড় ইমারৎ ওঠে

হাসপাতাল-স্কুল-কলেজ-এতিমখানা

ছোটো ছোটো ত্যাগ স্ফুলিঙ্গের মতো

একটু জ্বলেই ফুরিয়ে যায়

কেউ তাকে মনেও রাখে না

না যে ছাড়ে, না যে পায়

তবুও অভ্যেসবশত ছোটো ছোটো ত্যাগ

বৃষ্টিতে ছাতা মেলে দেয় অন্যকে

আহার্যের ভাগ দেয় সহযাত্রীকে

কারো অসুবিধায় এগিয়ে যায় দু’পা

বড় ত্যাগ কখনো সখনো কেউ কেউ করে

মানুষের মতো মানুষ না হয়েও তা সে পারে

ছোটো ছোটো ত্যাগের লেখাজোকা নেই

প্রাত্যহিক জীবনের এইসব টুকরো টুকরো ত্যাগ

একজন মানুষকে সনাক্ত করে মানুষ বলে

সেই মানুষ হওয়া সত্যিই সহজ নয়।

16
May
অলৌকিক প্রতিশোধ-কৃষ্ণা বসু
Ahasan

ব্যস্ত সমাজের থেকে কবিতার নির্বাসন হয়ে গেছে কবে।

সফল ও সুখী মানুষেরা আজকাল কবিতার ধারও ধারে না,

তারা সকলেই সবকিছু বোঝে, বোঝে জীবনবীমার গল্প;

বোঝে হাসিখুশি, সুড়সুড়ি-মাখা, টিভি সিরিয়াল;

বোঝে ঝোপ বুঝে কোপ মারা, বোঝে হর্ষদ মেহেতা,

বোঝে কতখানি ধান থেকে জন্ম নেয় ঠিক কতখানি চাল,

শুধু কবিতা বোঝে না, বোঝে না যে তার জন্য

লজ্জা নেই কোনও,

সুপ্রাচীন সুতীব্র আর্তিতে ভরা মায়াবী শিল্পের দিক থেকে

সম্পূর্ণ ফিরিয়ে পিঠ বেশ আছে সুসভ্য প্রজাতি।


শুধু মাঝে মাঝে খুবই নির্জনে কোনও এক পবিত্র মুহূর্তে

প্রাণের ভিতর দিকে বেজে ওঠে বাশিঁ, অলৌকিক সেই বাশিঁ।

রন্ধনে ব্যসনে ব্যস্ত সুখী গৃহকোণ কেঁপে ওঠে,

বিস্মৃতা রাধার সমস্ত হৃদয় জুড়ে কোটালের বান ডাকে

উথাল পাথাল, খুব মাঝে মাঝে এরকম হয়, হয় নাকি?


ভুলে যাওয়া অতিপূর্ব প্রপিতামহের মতো রক্তের

ভিতরে ঢুকে পড়ে

কবিতার অসম্ভব বীজগুলি প্রতিশোধ নেয়।

সব কিছু সমস্ত অর্জন সুখ-স্বস্তি-স্বচ্ছলতা অর্থহীন মনে হয়।


বাশিঁ ডাকে, বাশিঁ বাজে, সেই বাশিঁ বাজে,

জীবন আচ্ছন্ন করা বাশিঁ বাজে যমুনা-পুলিনে।

16
May
নিঃসঙ্গতা-আবুল হাসান
Ahasan

অতটুকু চায়নি বালিকা!

অত শোভা, অত স্বাধীনতা!

চেয়েছিল আরো কিছু কম,


আয়নার দাঁড়ে দেহ মেলে দিয়ে

বসে থাকা সবটা দুপুর, চেয়েছিল

মা বকুক, বাবা তার বেদনা দেখুক!


অতটুকু চায়নি বালিকা!

অত হৈ রৈ লোক, অত ভীড়, অত সমাগম!

চেয়েছিল আরো কিছু কম!


একটি জলের খনি

তাকে দিক তৃষ্ণা এখনি, চেয়েছিল


একটি পুরুষ তাকে বলুক রমণী!

16
May
গোপনতা-অরুণ মিত্র
Ahasan

নানা গোপনতার মধ্যে আমি বাস করি,

আমার পায়ের আঙুলে রেগে নুড়ি বাজলে আমি শুনি ঝর্ণা

সে-আওয়াজ কি আর কারো কাছে পৌঁছয়?

একটা ঝিঁঝির ডাক যেই ওঠে সারা বন অন্ধকারে দুলতে থাকে

আর সারা শুন্য গাছপালার কথা চালাচালিতে ভরে যায়,

ছড়িয়ে পড়ে অরণ্যের ছায়া তারপর কাঁকরমাটির সবুজ

পাহাড় আঁকড়ে-ধরা শেকড়ের খবর আসে,

আমি তা বুকে চেপে রাখি। কেউ কি তা জানে?

কেই-বা জানে আমার রাজ্য-সমাচার?

অনেক গোপনতা ধরে রাখার ফন্দিও আমার অনেক,

যখন চুঁইয়ে চুঁইয়ে রক্ত পড়ছে শিরাতন্তু থেকে

আমি হোহো হাসিতে চমকে দিচ্ছি আকাশ,

দ্যাখো দ্যাখো কী ফুর্তিবাজ বলে কত হাততালি জোটে

তখন আমি যেন জয়গর্বে আরো ফুর্তিবাজ হয়ে উঠি,

আমি যে সময়ের চকচকে ধারের উপর পা রেখে হাঁটছি

আমি যে এগিয়ে যাচ্ছি প্রকাণ্ড পাথরচাঙের ফাঁকে

সে-কথা কাওকে আমি জানতে দিই না। কেন দেব?

আমি তো জীবনমরণ খেলায় কাওকে আমার শরিক করিনি।

আমার গোপনতা নিয়ে আমি আছি

সবাই দেখছে চিকচিক চোখের কোণ ঠোঁটের বাঁকা টান

আর আমি দেখছি মুহুর্মুহু মেঘবিদ্যুৎ

বুকের মধ্যে শুনছি সমস্ত ওলটপালটের বাজনা,

গোপনতায় আমি বুঁদ হয়ে আছি।

16
May
গুচ্ছ কবিতা- রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
Ahasan

১.

থাকুক তোমার একটু স্মৃতি থাকুক

একলা থাকার খুব দুপুরে

একটি ঘুঘু ডাকুক


২.

দিচ্ছো ভীষণ যন্ত্রণা

বুঝতে কেন পাছো না ছাই

মানুষ আমি, যন্ত্র না!


৩.

চোখ কেড়েছে চোখ

উড়িয়ে দিলাম ঝরা পাতার শোক।

16
May
তোমায় আমি-জীবনানন্দ দাশ
Ahasan
তোমায় আমি দেখেছিলাম ব’লে
তুমি আমার পদ্মপাতা হলে;
শিশির কণার মতন শূন্যে ঘুরে
শুনেছিলাম পদ্মপত্র আছে অনেক দূরে
খুঁজে খুঁজে পেলাম তাকে শেষে।

নদী সাগর কোথায় চলে ব’য়ে

পদ্মপাতায় জলের বিন্দু হ’য়ে
জানি না কিছু-দেখি না কিছু আর
এতদিনে মিল হয়েছে তোমার আমার
পদ্মপাতার বুকের ভিতর এসে।

তোমায় ভালোবেসেছি আমি, তাই
শিশির হয়ে থাকতে যে ভয় পাই,
তোমার কোলে জলের বিন্দু পেতে
চাই যে তোমার মধ্যে মিশে যেতে
শরীর যেমন মনের সঙ্গে মেশে।

জানি আমি তুমি রবে-আমার হবে ক্ষয়
পদ্মপাতা একটি শুধু জলের বিন্দু নয়।
এই আছে, নেই-এই আছে নেই-জীবন চঞ্চল;
তা তাকাতেই ফুরিয়ে যায় রে পদ্মপাতার জল
বুঝেছি আমি তোমায় ভালোবেসে।

16
May
বনলতা সেন-জীবনানন্দ দাশ
Ahasan

হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,

সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে

অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধুসর জগতে

সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;

আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,

আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।


চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,

মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের’পর

হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা

সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,

তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‌‌‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’

পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।


সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন

সন্ধা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;

পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন

তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল;

সব পাখি ঘরে আসে-সব নদী-ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন;

থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।

দেবে কি এই মন-Nuralom


এই মেয়ে তোমাকে ভালোবাসি
তুমি কেন বোঝনা সে কথা ?
দূরে দূরে থেকে কেনো
দাও শুধু ব্যাথা?
হৃদয়ে প্রেমের তুফান
শুনতে কি তুমি পাও?
হৃদয় উজাড় করে প্রিয়া
শুধু ভালোবাসা দাও।
প্রিয়া তোমার বাঁকা ঠোঁটের
মিষ্টি মধুর হাসি,
জানো কি তুমি
আমি বড়ই ভালোবাসি।
হৃদয় মাঝে যখন তখন
দাও যে তুমি উঁকি,
ভালোবাসা দিও শুধু
দিও নাকো ফাঁকি।
তোমার আশায় বসে থাকি
উদাস করে মন,
এই মেয়ে বল না
দেবে কি ঐ মন?

English love sms-3


Friendship sms -1.

Love is like “missed call”.
It stops when U try 2 catch.
But Friendship is like “sms”
Bcoz it comes & stays inside Ur Inbox
until U delete it. So its upto u 2 keep & value a friend!

Friendship sms -2.

Loveless life is like a fruitless tree
but friendless life is like a rootless tree
Tree can live without fruit
but not without roots.

Friendship sms -3.

Years may fly,
tears may dry,
but my friendship with u
will never die.

Friendship sms -4.

MY friendship is just like a rubber band,
It is too flexible,
Stretch it as much as u can,
but if u leave it,
it will hurt u a lot, really a lot!

Friendship sms -5.

True friends r those,
Who care without hesitation,
Who remember without limitation,
Who forgive without explanation &
Who trust without communication.

Friendship sms -6.

Friendship & Medicine
both r good 4 our health.
They care us when we need,
but the only difference is that.
Friendship has no expiry date!

Friendship sms -7.
Friendship is like a glass
handle it with care
because once broken cannot be
mended n even if mended
a crack is always there !!!

Friendship sms -8.

Stars has 5 ends
Square has 4 ends
Triangle has 3 ends
Line has 2 ends
but Circle of our friendship has no ends.

Friendship sms -9.

I have a pen which is blue,
I have a friend which is u.
Flowers will die, waters will dry,
But our Friendship will never say Goodbye

Friendship sms -10.

God saw u hungry,
so he created rice,
Saw u thirsty created water,
Saw u in the dark,
created light & when
he saw u without a cute friend…
then He created ME.